বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ বাড়ায় বাজারে এ দরপতন হয়েছে। পরিস্থিতি এমন থাকলে আর দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
সরজমিনে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। সরবরাহ বাড়ায় দামও নিম্নমুখী। এক সপ্তাহ আগেও বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল, যা এখন কমে ৩০ টাকায় নেমেছে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ার পর নতুন হালি পেঁয়াজ আসায় দাম স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু ঈদের পর বৃষ্টির কারণে কৃষকরা খেত থেকে পেঁয়াজ তুলতে না পারায় বাজারে কিছুটা ঘাটতি দেখা দেয়। এখন আবার কৃষকরা নিয়মিত পেঁয়াজ তুলছেন, ফলে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। পাইকারি বাজারে যে পেঁয়াজ আগে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা মণ কিনতে হতো, তা এখন ১ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। দেশী পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম সামনে আরো কমতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং করার কথা জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমরা নিয়মিত তদারক করছি। ব্যবসায়ীদের কেনা ও বিক্রির দাম যাচাই করা হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দাম নিলে আর্থিক জরিমানাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং জনস্বার্থে এ অভিযান নিয়মিত চলবে।’